Kawasaki Z650-এর EMI কত? জেনে নিন ডাউন পেমেন্ট ও মাসিক কিস্তির হিসাব
Kawasaki Z650 ক্রয়ে ফাইন্যান্স ও ইএমআই সুবিধা
প্রিমিয়াম মিড-ওয়েট নেকেড স্পোর্টস বা স্ট্রিটফাইটার মোটরসাইকেলগুলোর মধ্যে অন্যতম আকর্ষণীয় ও জাপানি ব্র্যান্ডের প্রিমিয়াম পছন্দ হলো Kawasaki Z650। এককালীন পুরো টাকা দিয়ে এই প্রিমিয়াম স্ট্রিটফাইটার বাইকটি কেনা অনেকের পক্ষেই সবসময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই বিভিন্ন ব্যাংক ও টু-হুইলার ফাইন্যান্স কোম্পানি এই বাইকের জন্য আকর্ষণীয় ইএমআই (EMI) বা কিস্তি সুবিধা প্রদান করে থাকে। যারা লোন বা ফাইন্যান্সের মাধ্যমে বাইকটি ঘরে তোলার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য ডাউন পেমেন্ট এবং মাসিক কিস্তির সঠিক হিসাব জেনে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
সাধারণত বাইকটির অন-রোড মূল্যের ওপর ভিত্তি করে ব্যাংকগুলো লোন মঞ্জুর করে থাকে। কলকাতা এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে Kawasaki Z650-এর অন-রোড মূল্য সাধারণত ৭.৫০ লক্ষ থেকে ৭.৮০ লক্ষ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। ক্রেতাকে অন-রোড দামের একটি নির্দিষ্ট অংশ ডাউন পেমেন্ট হিসেবে ক্যাশ পরিশোধ করতে হয় এবং বাকি অংশের ওপর লোন দেওয়া হয়। সুদের হার এবং লোন পরিশোধের মেয়াদের ওপর নির্ভর করে মাসিক কিস্তির পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: আপনি যদি প্রায় ১.৫০ লক্ষ থেকে ২.০০ লক্ষ টাকা ডাউন পেমেন্ট করেন, তবে বাকি পরিমাণের জন্য খুব সহজেই ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে লোন পেয়ে যাবেন।
- ৩ বছরের মেয়াদের লোনে মাসিক কিস্তি সাধারণত ২২,০০০ থেকে ২৫,০০০ টাকার মধ্যে হতে পারে
- ব্যাংক বা ফাইন্যান্স ভেদে সুদের হার সাধারণত ৮.৫ শতাংশ থেকে ১১ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে
- ডাউন পেমেন্টের পরিমাণ বাড়ালে মাসিক কিস্তির ওপর আর্থিক চাপ অনেকটাই কমে যায়
- লোন প্রসেসিংয়ের জন্য প্যান কার্ড, আধার কার্ড এবং ব্যাংক স্টেটমেন্টের প্রয়োজন হয়
মাসিক কিস্তি নির্ধারণের পদ্ধতি ও প্রয়োজনীয় শর্ত
Kawasaki Z650 কেনার জন্য লোন নেওয়ার পূর্বে বিভিন্ন ব্যাংকের সুদের হার এবং প্রসেসিং ফি ভালোভাবে যাচাই করে নেওয়া উচিত। অনেক সময় উৎসবের মরশুমে বা ডিলারশিপের বিশেষ অফারে কম ডাউন পেমেন্টেও এই বাইক বুক করা সম্ভব হয়। আপনার সিভিল স্কোর (CIBIL Score) ভালো থাকলে খুব দ্রুত এবং কম কাগজপত্রে লোন পাস হয়ে যায়।
আপনার বাজেট অনুযায়ী নির্দিষ্ট মেয়াদে (যেমন ১২, ২৪, ৩৬ বা ৪৮ মাস) কত কিস্তি আসবে তা নিখুঁতভাবে জানতে আপনার নিকটবর্তী কাওয়াসাকি ডিলারশিপের ফিন্যান্স বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করে নেওয়া সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে।