আবাস যোজনার তালিকায় কড়া স্ক্রুটিনি, ভুয়ো নাম রুখতে প্রায় ৫৭ হাজার উপভোক্তার নাম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত
আবাস যোজনার তালিকায় কড়া স্ক্রুটিনি ও নামের ছাঁটাই
গ্রামীণ আবাসন প্রকল্পে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং প্রকৃত উপভোক্তাদের অধিকার সুনিশ্চিত করতে বড়ো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার তালিকায় কড়া স্ক্রুটিনি বা যাচাই প্রক্রিয়া শুরু করার পর প্রায় ৫৭ হাজার ভুয়ো ও অযোগ্য নাম বাদ দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্যজুড়ে এই প্রশাসনিক পদক্ষেপে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ ছিল যে, বহু ক্ষেত্রে আর্থিকভাবে সচ্ছল ব্যক্তি বা যাঁদের ইতিমধ্যে পাকা বাড়ি রয়েছে, তাঁরাও আবাস যোজনার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন। এই ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসার পরেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাই বা সার্ভে করার কাজ শুরু হয়। দীর্ঘ যাচাই পর্বের পর অবশেষে ওই বিপুল সংখ্যক ভুয়ো নাম তালিকা থেকে চিরতরে বাদ দেওয়া হচ্ছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: আবাস যোজনার তালিকায় স্বচ্ছতা আনতে এবং সরকারি অনুদানের টাকা সঠিক মানুষের কাছে পৌঁছাতে প্রায় ৫৭ হাজার সন্দেহজনক বা অযোগ্য নাম বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।
- আবাস যোজনার তালিকায় অনিয়ম রুখতে দেশজুড়ে ও রাজ্যস্তরে কড়া যাচাই প্রক্রিয়া চালানো হয়েছে।
- যাচাইয়ের পর প্রায় ৫৭ হাজার ভুয়ো ও অনুপযুক্ত নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
- প্রকৃত ও গরিব পরিবারগুলি যাতে আবাসন প্রকল্পের সুবিধা পায়, তার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
- তালিকায় যাতে আর কোনো গরমিল না থাকে, সেজন্য প্রশাসনকে আরও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান
সরকারি প্রকল্পের টাকা যাতে কোনোভাবেই অপব্যবহার না হয়, সে বিষয়ে রাজ্য ও কেন্দ্র উভয়েই কড়া নজরদারি চালাচ্ছে। ব্লক ও জেলা স্তরের আধিকারিকদের নিয়ে গঠিত বিশেষ টিম প্রতিটি আবেদন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখেছে। এর ফলে একদিকে যেমন প্রকৃত প্রাপকদের তালিকা পরিচ্ছন্ন হয়েছে, তেমনই অন্যদিকে ভুয়া আবেদনকারীদের দৌরাত্ম্য অনেকটাই কমানো সম্ভব হয়েছে।
প্রশাসনের এই কঠোর পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা। আগামী দিনেও আবাস যোজনা সহ অন্যান্য কল্যাণমুখী প্রকল্পগুলিতে এই ধরনের নজরদারি বজায় থাকবে বলে জানা গেছে, যাতে সরকারি সুবিধার প্রতিটি পাইপয়সা সঠিক উপভোক্তার হাতেই পৌঁছায়।