মালদায় শিক্ষায় নতুন মডেল: ৩,০০০ সরকারি স্কুলে ‘লার্নিং ওয়াল’ তৈরি করে পড়াশোনার পরিবেশ বদলের উদ্যোগ

মালদায় শিক্ষায় নতুন মডেল: ৩,০০০ সরকারি স্কুলে ‘লার্নিং ওয়াল’ তৈরি করে পড়াশোনার পরিবেশ বদলের উদ্যোগ

মালদায় শিক্ষায় নতুন মডেল: ৩ হাজার সরকারি স্কুলে ‘লার্নিং ওয়াল’ তৈরির উদ্যোগ

রাজ্যের সরকারি স্কুলগুলিতে পঠনপাঠনের মান উন্নত করতে এবং খুদে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আরও বেশি আগ্রহী করে তুলতে অভিনব উদ্যোগ শুরু হয়েছে। মালদা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলার প্রায় ৩,০০০ সরকারি প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘লার্নিং ওয়াল’ বা শিক্ষামূলক দেওয়াল তৈরির মেগা প্রজেক্ট হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রথাগত ব্ল্যাকবোর্ডের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের দেওয়ালগুলিকে নানা রঙের শিক্ষামূলক ছবি, বর্ণমালা, সংখ্যা এবং সাধারণ জ্ঞানের তথ্যে সাজিয়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে, যা পড়ুয়াদের সহজে শিখতে সাহায্য করবে।

শিক্ষাবিদদের মতে, দৃশ্যমান শিক্ষা বা ভিজ্যুয়াল লার্নিং ছোট বাচ্চাদের মানসিক বিকাশে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়াতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। ক্লাসরুমের চারপাশের দেওয়ালগুলো যখন পড়াশোনার নানা উপকরণে ভরপুর থাকে, তখন শিক্ষার্থীরা খেলার ছলেই অনেক জটিল বিষয় সহজে আয়ত্ত করে নিতে পারে। মালদার বহু গ্রামীণ স্কুলের পরিকাঠামো উন্নত করতে এবং স্কুলছুট কমানোর লক্ষ্যেই এই বিশেষ মডেল তৈরি করা হয়েছে, যা ইতিমধ্যেই শিক্ষক মহল ও অভিভাবকদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: মালদা জেলার প্রায় তিন হাজারটি স্কুলকে এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত করা হয়েছে এবং আগামী কয়েক মাসের মধ্যে সমস্ত নির্ধারিত বিদ্যালয়ে এই কাজ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় স্থানীয় শিক্ষক ও শিল্পীদের সহায়তায় এই রঙিন দেওয়ালগুলি ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

  • মালদার প্রায় ৩,০০০ সরকারি স্কুলে রূপায়িত হচ্ছে এই অভিনব ‘লার্নিং ওয়াল’ মডেল।
  • খুদে শিক্ষার্থীদের আকর্ষণ করতে দেওয়ালে আঁকা হচ্ছে বর্ণমালা, গাণিতিক সূত্র ও চিত্রভিত্তিক পড়াশোনা।
  • গ্রামীণ এলাকার স্কুলগুলিতে পঠনপাঠনের মান উন্নত করতে এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসিত হয়েছে।

শিক্ষায় আধুনিক ছোঁয়া ও ইতিবাচক প্রভাব

প্রথাগত পঠনপাঠনের একঘেয়েমি কাটিয়ে ক্লাসরুমে আনন্দদায়ক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতেই এই বিশেষ মডেলের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর ফলে স্কুলে ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি যেমন বাড়বে, তেমনই তাদের সামগ্রিক শিক্ষাগত উৎকর্ষও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছেন শিক্ষক ও শিক্ষাবিদরা।