উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ: মহানায়কের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে বছরভর বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা রাজ্য সরকারের

উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ: মহানায়কের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে বছরভর বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা রাজ্য সরকারের

উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ: মহানায়কের স্মরণে বছরজুড়ে বিশেষ অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা রাজ্যের

বাঙালি সংস্কৃতির অবিসংবাদিত ‘মহানায়ক’ উত্তম কুমারের জন্মশতবর্ষ যথাযথ মর্যাদায় উদযাপনের প্রস্তুতি শুরু করে দিল রাজ্য সরকার। বাংলা চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগের এই কিংবদন্তি অভিনেতার জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে বছরজুড়ে একাধিক বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চলচ্চিত্র উৎসব ও প্রদর্শনীর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে এই আয়োজনকে সফল করতে বিশিষ্ট শিল্পীদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটিও গঠন করা হচ্ছে।

নবান্ন সূত্রে খবর, আগামী দিনে মহানায়কের জীবন ও সৃষ্টিশীল কর্মজীবনকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে বিভিন্ন কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে বিশেষ সেমিনার ও রেট্রোস্পেক্টিভ সিনেমার স্ক্রিনিং করা হবে। পাশাপাশি, টলিপাড়ায় তাঁর স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলি সংরক্ষণ এবং সিনেমার অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বিশেষ সম্মাননা প্রদানেরও চিন্তাভাবনা চলছে। বাংলা সিনেমার এই দিকপাল নায়কের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এই মহোৎসবের রূপরেখা চূড়ান্ত করার কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: জন্মশতবর্ষের এই বর্ণাঢ্য উদযাপনে রাজ্যের সমস্ত সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও প্রবীণ শিল্পীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • বছরব্যাপী চলা এই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে বিশেষ স্মারক গ্রন্থ ও দুর্লভ ছবি নিয়ে প্রদর্শনী করা হবে।
  • মহানায়কের স্মৃতি রক্ষার্থে চলচ্চিত্র জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে।
  • নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের উৎসাহ দিতে বিশেষ ফেলোশিপ বা পুরস্কার চালুর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে।

সাংস্কৃতিক মহলে উচ্ছ্বাস

রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলার চলচ্চিত্র জগতের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ থেকে শুরু করে আপামর cinephile রা। উত্তম কুমারের রোমান্টিক ও বহুমুখী অভিনয় শৈলী যে আজও মানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে রয়েছে, তা এই শতবর্ষ উদযাপনের মাধ্যমে আরও একবার প্রমাণিত হবে।

সরকারের এই বৃহৎ সাংস্কৃতিক পরিকল্পনা বাংলার বিনোদন জগতকে নতুন উদ্দীপনা জোগাবে এবং মহানায়কের স্মৃতিকে চিরস্মরণীয় করে রাখবে বলেই মনে করা হচ্ছে।