সংসদ ভবনে মোদীকে জমকালো সংবর্ধনা, ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে মুখরিত এনডিএ বৈঠক

সংসদ ভবনে মোদীকে জমকালো সংবর্ধনা, ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে মুখরিত এনডিএ বৈঠক

সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে জমকালো সংবর্ধনা

২০২৬ সালের আগস্টে সংসদ ভবনে এনডিএ (NDA) সংসদীয় দলের ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে জাতীয় পতাকা উড়িয়ে এবং ‘বন্দে মাতরম’ ও ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনিতে জমকালো সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে মুখরিত জিএমসি বলযোগী অডিটোরিয়াম

৮০তম স্বাধীনতা দিবস এবং জাতীয় গীত ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তিকে সামনে রেখে সংসদ ভবনের জিএমসি বলযোগী অডিটোরিয়ামে এই বিশেষ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী মোদী সভাকক্ষে প্রবেশ করতেই এনডিএ-র কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও সাংসদরা ত্রিরঙা পতাকা উড়িয়ে তাঁকে স্বাগত জানান। ‘বন্দে মাতরম’ এবং ‘ভারত মাতা কি জয়’ ধ্বনিতে অনুষ্ঠানস্থল মুখরিত হয়ে ওঠে।

জাতীয় পতাকা হাতে প্রধানমন্ত্রী মোদী

সংবর্ধনার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও হাত উঁচিয়ে জাতীয় পতাকা নাড়তে দেখা যায়। স্বাধীনতা দিবসের আগে এনডিএ-র এই বিশেষ কর্মসূচিতে জাতীয় ঐক্য, দেশপ্রেম এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহ্যকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

‘হর ঘর তিরঙ্গা’র আহ্বান

বৈঠক থেকে প্রধানমন্ত্রী মোদী দেশের প্রতিটি পরিবারকে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga) অভিযানে অংশ নেওয়ার জোরালো আহ্বান জানান। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রতিটি ঘরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের বার্তা দেন তিনি।

২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্য

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে আগামী প্রজন্মকে আরও শক্তিশালী ও উন্নত ভারত গঠনের কাজে যুক্ত হতে হবে। ২০৪৭ সালের মধ্যে একটি ‘বিকশিত ভারত’ গড়ে তোলার লক্ষ্যেও দেশবাসীর অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

ভারত মণ্ডপম থেকে ইন্ডিয়া গেট পর্যন্ত তিরঙ্গা যাত্রা

এনডিএ-র ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দিল্লির ভারত মণ্ডপম থেকে ইন্ডিয়া গেট পর্যন্ত একটি বিশাল ‘তিরঙ্গা যাত্রা’ বা র‍্যালির রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই কর্মসূচিতে এনডিএ-র লোকসভা ও রাজ্যসভার সাংসদদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

স্বাধীনতা দিবসকে ঘিরে বিশেষ কর্মসূচি

স্বাধীনতা দিবস এবং ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তিকে সামনে রেখে দেশজুড়ে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে। এনডিএ-র এই বিশেষ সংবর্ধনা ও তিরঙ্গা যাত্রার পরিকল্পনাও সেই কর্মসূচিরই অংশ হিসেবে সামনে এসেছে।