পাসওয়ার্ডের ভুল: '123456' বা নিজের নাম ব্যবহার করছেন? হ্যাকারদের সহজ টার্গেট আপনি
সহজ পাসওয়ার্ডই হতে পারে বড় ঝুঁকি
'123456', 'password', নিজের নাম বা জন্মতারিখের মতো সহজ তথ্য দিয়ে তৈরি পাসওয়ার্ড সাইবার অপরাধীদের জন্য সহজে অনুমানযোগ্য হতে পারে। একই পাসওয়ার্ড একাধিক অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করলে একটি অ্যাকাউন্টের তথ্য ফাঁস হলেও অন্য অ্যাকাউন্টগুলো ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যেতে পারে।
কেন '123456' বা নিজের নাম নিরাপদ নয়?
সহজ ও বহুল ব্যবহৃত পাসওয়ার্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুমান করার চেষ্টা করা সাইবার আক্রমণের মাধ্যমে দ্রুত শনাক্ত হতে পারে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে থাকা নাম, জন্মতারিখ বা অন্য ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে তৈরি পাসওয়ার্ড আরও সহজে অনুমান করা সম্ভব।
শক্তিশালী পাসওয়ার্ড কেমন হওয়া উচিত?
একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড তুলনামূলকভাবে দীর্ঘ হওয়া এবং সহজে অনুমান করা যায় এমন তথ্যের ওপর নির্ভর না করাই ভালো। অক্ষর, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নের সমন্বয় ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করাও গুরুত্বপূর্ণ।
Password Manager ব্যবহার করতে পারেন
অনেকগুলো আলাদা ও শক্তিশালী পাসওয়ার্ড মনে রাখা কঠিন হতে পারে। এই ক্ষেত্রে বিশ্বস্ত Password Manager ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড নিরাপদভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এতে প্রতিটি অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা পাসওয়ার্ড তৈরি ও ব্যবহার করা সহজ হয়।
Two-Factor Authentication চালু করুন
শক্তিশালী পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি Two-Factor Authentication বা 2FA চালু করলে অ্যাকাউন্টে অতিরিক্ত একটি নিরাপত্তা স্তর যুক্ত হয়। পাসওয়ার্ড কোনোভাবে অন্যের হাতে গেলেও দ্বিতীয় যাচাইকরণ প্রয়োজন হওয়ায় অননুমোদিত প্রবেশের ঝুঁকি কমতে পারে।
- '123456', 'password' বা নিজের নামের মতো সহজ Password ব্যবহার করবেন না।
- প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে আলাদা Password ব্যবহার করুন।
- জন্মতারিখ, ফোন নম্বর বা সহজে পাওয়া ব্যক্তিগত তথ্য Password-এ ব্যবহার করবেন না।
- দীর্ঘ ও অনুমান করা কঠিন Password তৈরি করুন।
- প্রয়োজনে বিশ্বস্ত Password Manager ব্যবহার করুন।
- সব গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টে Two-Factor Authentication চালু করুন।
একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ডই হতে পারে প্রথম নিরাপত্তা স্তর
অনলাইন অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখতে দুর্বল পাসওয়ার্ডের অভ্যাস পরিবর্তন করা জরুরি। শক্তিশালী ও আলাদা Password, Two-Factor Authentication এবং নিয়মিত নিরাপত্তা পরীক্ষা—এই তিনটি অভ্যাস আপনার ডিজিটাল অ্যাকাউন্টকে আরও নিরাপদ রাখতে সাহায্য করতে পারে।