নবান্ন থেকে আজ নতুন অঞ্চলভিত্তিক দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী ‘অর্জুন বাহিনী’র সূচনা
নবান্ন থেকে নতুন অঞ্চলভিত্তিক দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী ‘অর্জুন বাহিনী’র সূচনা
রাজ্যে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করতে এক অভিনব উদ্যোগ নিল রাজ্য প্রশাসন। আজ নবান্ন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন অঞ্চলভিত্তিক বিশেষ দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনী ‘অর্জুন বাহিনী’-র সূচনা করা হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রত্যন্ত ও সংবেদনশীল অঞ্চলগুলিতে দ্রুত উদ্ধারকার্য চালানোর লক্ষ্যেই এই বিশেষ বাহিনী গঠন করা হয়েছে।
রাজ্য সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, এই ‘অর্জুন বাহিনী’র সদস্যরা বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত এবং আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জামে সজ্জিত থাকবেন। রাজ্যের বিভিন্ন ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য ও দুর্যোগপ্রবণ এলাকার কথা মাথায় রেখে বাহিনীটিকে নির্দিষ্ট অঞ্চলে মোতায়েন করা হবে। এর ফলে কোনো প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই কেন্দ্রীয় বা জেলা সদরের সাহায্যের অপেক্ষায় না থেকে স্থানীয় স্তরেই তাৎক্ষণিক উদ্ধার ও ত্রাণ কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: আধুনিক প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষিত ‘অর্জুন বাহিনী’র প্রতিটি দলে দক্ষ কর্মী ও উন্নত উদ্ধারকারী গ্যাজেট রাখা হয়েছে যা দ্রুত সাড়া দিতে সাহায্য করবে।
- নবান্ন থেকে আজ ‘অর্জুন বাহিনী’র শুভ সূচনা করা হলো।
- দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলগুলিতে দ্রুত উদ্ধারকাজ চালাতে এই বাহিনী মোতায়েন করা হবে।
- বাহিনীর সদস্যদের আধুনিক প্রশিক্ষণ ও আপৎকালীন সরঞ্জাম দেওয়া হয়েছে।
- স্থানীয় স্তরে দ্রুত সাড়া দিয়ে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
- দুর্যোগ মোকাবিলা দফতর ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে এই বাহিনী পরিচালিত হবে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় এক নতুন অধ্যায়
প্রশাসনের এই সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপে রাজ্যের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আরও অনেক বেশি গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উপকূলবর্তী এলাকা থেকে শুরু করে নদীমাতৃক এবং পাহাড়ি অঞ্চলের সংবেদনশীল স্থানগুলিতে এই বাহিনীর নজরদারি ও তৎপরতা বিশেষভাবে বাড়ানো হবে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পূর্বাভাস পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া এবং উদ্ধারকাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে ‘অর্জুন বাহিনী’ অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
আজ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকেই সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষের জীবন ও সম্পত্তি সুরক্ষায় রাজ্য সরকারের এই নতুন পদক্ষেপ অত্যন্ত ফলপ্রসূ হবে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।