উৎসবের মরশুমের আগেই বড় ঘোষণা নবান্নের, সিভিক ভলান্টিয়ারদের মাসিক ভাতা বাড়ল ২ হাজার টাকা

উৎসবের মরশুমের আগেই বড় ঘোষণা নবান্নের, সিভিক ভলান্টিয়ারদের মাসিক ভাতা বাড়ল ২ হাজার টাকা

সিভিক ভলান্টিয়ারদের মাসিক ভাতা বাড়াল রাজ্য সরকার

আসন্ন উৎসবের মরশুমের শুরুতেই রাজ্যের হাজার হাজার সিভিক ভলান্টিয়ারের জন্য বড়সড় আর্থিক স্বস্তির খবর শোনাল নবান্ন। রাজ্য পুলিশের পাশাপাশি কলকাতা পুলিশের সঙ্গে যুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ারদের মাসিক সাম্মানিক বা ভাতা এক ধাক্কায় ২,০০০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের এই ঘোষণায় খুশি সংশ্লিষ্ট কর্মীরা।

নবান্ন সূত্রে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এতদিন সিভিক ভলান্টিয়াররা নির্দিষ্ট হারে প্রতি মাসে ১০,০০০ টাকা করে মাসিক ভাতা পেতেন। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে তাঁরা প্রতি মাসে ১২,০০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলতি বছরের অগাস্ট মাস থেকেই এই বর্ধিত সাম্মানিক কার্যকর করা হয়েছে, যা সেপ্টেম্বর মাসের বেতন থেকে হাতে পাবেন তাঁরা।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: রাজ্য অর্থ দপ্তরের সবুজ সংকেত এবং প্রশাসনিক অনুমোদনের পরেই এই ভাতা বৃদ্ধির নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে, যা পুজোর আগে বড় উপহার হিসেবে দেখছেন অনেকে।

  • সিভিক ভলান্টিয়ারদের মাসিক ভাতা ১০,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২,০০০ টাকা করা হয়েছে।
  • পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের অধীনে কর্মরত সকল সিভিক ভলান্টিয়ার এই সুবিধার আওতাভুক্ত।
  • অগাস্ট মাস থেকে কার্যকর হওয়া এই বর্ধিত অর্থ সেপ্টেম্বর মাসের বেতনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অ্যাকাউন্টে আসবে।
  • উৎসবের আগে এই আর্থিক ঘোষণায় উপকৃত হবেন রাজ্যের বিশাল সংখ্যক কর্মী।

প্রশাসনিক উদ্যোগ ও প্রতিক্রিয়া

দুর্গাপূজা ও অন্যান্য উৎসবের ঠিক আগে সরকারের এই পদক্ষেপে সিভিক ভলান্টিয়ারদের পরিবারে খুশির হাওয়া বিরাজ করছে। দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের সাম্মানিক বাড়ানোর যে দাবি উঠেছিল, এই পদক্ষেপে সেই চাহিদাই কিছুটা পূরণ হলো। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যুক্ত এই কর্মীদের মনোবল আরও চাঙা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে, নির্ধারিত তহবিল থেকেই এই অতিরিক্ত খরচের বিষয়টি সামলানো হবে এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত দাপ্তরিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। উৎসবের দিনগুলিতে যখন সিভিক ভলান্টিয়াররা অতিরিক্ত দায়িত্ব পালনে ব্যস্ত থাকেন, ঠিক তার আগে এই ঘোষণা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহল।