‘কিলার রোবট’ নিয়ন্ত্রণে বড় পদক্ষেপ: প্রাণঘাতী স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিয়ে আন্তর্জাতিক চুক্তির খসড়ায় সম্মত প্রায় ১৩০ দেশ

‘কিলার রোবট’ নিয়ন্ত্রণে বড় পদক্ষেপ: প্রাণঘাতী স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিয়ে আন্তর্জাতিক চুক্তির খসড়ায় সম্মত প্রায় ১৩০ দেশ

‘কিলার রোবট’ নিয়ন্ত্রণে বড় পদক্ষেপ: প্রাণঘাতী স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিয়ে আন্তর্জাতিক চুক্তির খসড়ায় সম্মত ১৩০ দেশ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) চালিত প্রাণঘাতী স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র বা বহুল আলোচিত ‘কিলার রোবট’ (Killer Robots)-এর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক চুক্তির খসড়ায় একমত হয়েছে বিশ্বের প্রায় ১৩০টি দেশ। যুদ্ধক্ষেত্রে মানুষের সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে পরিচালিত অস্ত্রের যথেচ্ছ ব্যবহার রুখতে এবং আন্তর্জাতিক মানবিক আইন বজায় রাখতে এই যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা আন্তর্জাতিক আলোচনার পর এই প্রথম এতগুলি দেশ একটি অভিন্ন কাঠামোর আওতায় আসতে চলেছে।

জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত বৈঠকে সামরিক ক্ষেত্রে এআই প্রযুক্তির সীমাহীন প্রয়োগ নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই রোবট বা ড্রোন যদি জীবন-মৃত্যুর সিদ্ধান্ত নেয়, তবে তা নীতিগতভাবে অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং যুদ্ধাপরাধের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। নতুন এই খসড়া চুক্তিতে অস্ত্রগুলির ওপর কঠোর আইনি নিয়ন্ত্রণ, জবাবদিহিতা এবং নীতিগত সীমারেখা নির্ধারণের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: আগামী দিনে এই খসড়াটিকে একটি স্থায়ী ও বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক চুক্তিতে রূপান্তর করার জন্য বিশ্বনেতারা যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাবেন।

  • প্রায় ১৩০টি দেশ কিলার রোবট বা সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের খসড়া চুক্তিতে সায় দিয়েছে।
  • যুদ্ধের ময়দানে মানুষের নৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বজায় রাখাই এই চুক্তির মূল লক্ষ্য।
  • প্রযুক্তিগত অপব্যবহার ঠেকাতে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে কড়া নিয়মাবলী প্রণয়নের কাজ চলছে।

প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে এআই প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ ও নৈতিকতা

অস্ত্র উৎপাদনে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লেও তার নৈতিক দিক এবং বিশ্বশান্তি বজায় রাখার তাগিদে এই নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন কূটনীতিবিদরা। আন্তর্জাতিক এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে বিশ্বজুড়ে অস্ত্র প্রতিযোগিতা রোধে বড় ভূমিকা নিতে পারে।