আগামী ৩১শে আগস্ট বিশাখাপত্তনমে নৌবাহিনীতে যুক্ত হচ্ছে গভীর সমুদ্রে উদ্ধারকারী যুদ্ধজাহাজ 'নিপুন'
আগামী ৩১শে আগস্ট বিশাখাপত্তনমে ভারতীয় নৌবাহিনীতে যুক্ত হচ্ছে উদ্ধারকারী যুদ্ধজাহাজ 'নিপুন'
দেশের সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা এবং গভীর সমুদ্রে যে কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে উদ্ধারকার্য আরও শক্তিশালী করতে ভারতীয় নৌবহরে যুক্ত হতে চলেছে এক অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ। আগামী ৩১শে আগস্ট অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় নৌবাহিনীতে শামিল করা হবে গভীর সমুদ্রে ডুবুরি ও উদ্ধারকারী জাহাজ 'নিপুন' (Nipun)। আধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত এই বিশেষ জাহাজটি নৌবাহিনীর উদ্ধার অভিযানের ক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দেশের কৌশলগত গুরুত্ব এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। সেই লক্ষ্যেই দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বা আধুনিক সমরাস্ত্র ও উদ্ধারকারী সরঞ্জামে সমৃদ্ধ এই ধরনের জলযানগুলি নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশাখাপত্তনমে আয়োজিত এক বিশেষ সমারোহে উচ্চপদস্থ সামরিক আধিকারিকদের উপস্থিতিতে 'নিপুন' আনুষ্ঠানিকভাবে নৌসেনার অপারেশনাল কমান্ডের হাতে তুলে দেওয়া হবে। এর ফলে সমুদ্রের তলদেশে যেকোনো দুর্ঘটনা বা সংকটের মুহূর্তে দ্রুত ত্রাণ ও উদ্ধার কাজ চালানো সম্ভব হবে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: আগামী ৩১শে আগস্ট বিশাখাপত্তনমে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে গভীর সমুদ্রে উদ্ধারকার্য পরিচালনার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হচ্ছে যুদ্ধজাহাজ 'নিপুন'।
- আগামী ৩১শে আগস্ট বিশাখাপত্তনমে ভারতীয় নৌবাহিনীতে যুক্ত হচ্ছে যুদ্ধজাহাজ 'নিপুন'।
- এটি একটি অত্যাধুনিক গভীর সমুদ্রে উদ্ধারকারী (Deep Submergence Rescue) যুদ্ধজাহাজ।
- নৌবাহিনীর উদ্ধার অভিযানের ক্ষমতা ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা আরও সুদৃঢ় হবে।
- দেশীয় প্রতিরক্ষা পরিকাঠামো এবং সামুদ্রিক কৌশলের ক্ষেত্রে এটি এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও নৌবাহিনীর আধুনিকীকরণ
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক যুদ্ধ এবং শান্তির সময়েও সমুদ্রের তলদেশে উদ্ধারকাজের জন্য বিশেষায়িত জাহাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 'নিপুন'-এর মতো আধুনিক উদ্ধারকারী যুদ্ধজাহাজ নৌবাহিনীতে যুক্ত হওয়ার ফলে ভারতের ব্লু-ওয়াটার নেভি বা দীর্ঘ সমুদ্রসীমা পাহারা দেওয়ার ক্ষমতা ও দুর্যোগ মোকাবিলার প্রস্তুতি আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। দেশের নিজস্ব প্রতিরক্ষা উৎপাদন বা আত্মনির্ভর ভারত অভিযানের ক্ষেত্রেও এই অর্জন বিশেষ প্রশংসার দাবি রাখে।