অক্টোবরের মুদ্রানীতি সমীক্ষায় ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়তে পারে রেপো রেট, আরবিআই-এর সিদ্ধান্তের দিকে নজর বাজার বিশেষজ্ঞদের
অক্টোবরে ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়তে পারে রেপো রেট, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের নীতির দিকে তীক্ষ্ণ নজর
দেশের মূল্যবৃদ্ধি বা মুদ্রাস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগামী অক্টোবর মাসের মুদ্রানীতি সমীক্ষায় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) রেপো রেট ২৫ বেসিস পয়েন্ট বৃদ্ধি করতে পারে বলে জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আর্থিক বাজারের বিশেষজ্ঞ ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদদের একাংশের মতে, অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সুদের হার কিছুটা বাড়ানোর পথে হাঁটতে পারে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। এর ফলে ঋণগ্রহীতাদের মাসিক কিস্তি বা ইএমআই (EMI) সামান্য বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
চলতি অর্থবর্ষের বিগত মাসগুলিতে খুচরো বাজারে মুদ্রাস্ফীতির পারদ কিছুটা ওঠানামা করায় আর্থিক নীতি নির্ধারণ নিয়ে নতুন করে ভাবনাচিন্তা শুরু করেছে আরবিআই-এর মনিটারি পলিসি কমিটি (MPC)। ব্যাঙ্কিং খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে এবং মুদ্রাস্ফীতিকে নির্ধারিত সীমার মধ্যে রাখতে সুদের হার পুনর্নির্ধারণ করা এখন অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে গৃহঋণ, গাড়ি ঋণ এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক ঋণের সুদের হারের ওপর।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: আরবিআই-এর গভর্নর ও এমপিসি সদস্যদের নিয়ে গঠিত কমিটির আগামী বৈঠকের দিকেই এখন দেশের গোটা আর্থিক মহলের নজর রয়েছে। সুদের হার ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়ানো হলে তা সাধারণ গ্রাহকদের পকেটে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে, অন্যদিকে আমানতের সুদের হার সামান্য বৃদ্ধির সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।
- অক্টোবরের মুদ্রানীতি পর্যালোচনায় রেপো রেট ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়তে পারে বলে অনুমান।
- মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ ও অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখাই এই সম্ভাব্য সিদ্ধান্তের প্রধান লক্ষ্য।
- রেপো রেট বাড়লে ঋণের কিস্তি বা ইএমআই (EMI) বৃদ্ধির আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বাজারের প্রতিক্রিয়া ও ভবিষ্যৎ প্রভাব
রিজার্ভ ব্যাঙ্কের এই সম্ভাব্য সুদের হার বৃদ্ধির ইঙ্গিতের পর শেয়ার বাজার ও ঋণ বাজারে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ব্যাঙ্কগুলির ঋণদান নীতি এবং আমানতের হারের ওপর এর কী ধরনের প্রভাব পড়ে, তা নিয়ে এখন থেকেই হিসেব নিকেশ শুরু করে দিয়েছেন আর্থিক বিশ্লেষকরা।
আগামী দিনে আরবিআই গভর্নর আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করার পরই পরিষ্কার হবে যে মধ্যবিত্ত ও সাধারণ ঋণগ্রহীতাদের জন্য পরবর্তী আর্থিক পরিকল্পনা কেমন হতে চলেছে।