বাংলায় ধর্মীয় পর্যটনের প্রসারে এক হাজার কোটি টাকার বিশেষ প্রকল্প ঘোষণা রাজ্যের
বাংলায় ধর্মীয় পর্যটনের প্রসারে ১,০০০ কোটি টাকার বিশেষ প্রকল্প ঘোষণা
রাজ্যে পর্যটন শিল্পের পরিধি বৃদ্ধি এবং তীর্থক্ষেত্রগুলির পরিকাঠামো উন্নত করতে বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। আগামী দুই বছরের মধ্যে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে একটি সুসংহত 'তীর্থক্ষেত্র সার্কিট' বা পিলগ্রিমেজ সার্কিট গড়ে তোলার পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় স্থানগুলিকে আধুনিক সুযোগ-সুবিধার আওতায় আনা হবে বলে জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, অতীতে রাজ্যের ধর্মীয় পর্যটন ক্ষেত্রগুলি যথাযথ গুরুত্ব না পেলেও বর্তমান প্রশাসনের উদ্যোগে এই খাতে নতুন গতি আসতে চলেছে। এই প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের প্রখ্যাত মন্দির, ঐতিহাসিক তীর্থস্থান এবং ধর্মীয় পর্যটন কেন্দ্রগুলির যোগাযোগ ব্যবস্থা, আবাসন ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক পরিকাঠামোর মানোন্নয়ন করা হবে। এর ফলে দেশ-বিদেশের পর্যটকরা আরও সহজে এই স্থানগুলিতে যাতায়াত করতে পারবেন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী দুই বছরের মধ্যে এই হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী মেলা এবং উৎসবের সময় তীর্থযাত্রীদের সুরক্ষায় আধুনিক পরিবহণ ও বিশেষ হেলিপ্যাড পরিষেবা চালুর মতো পদক্ষেপও এই পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- ধর্মীয় পর্যটনের উন্নয়নে ১,০০০ কোটি টাকার বিশেষ প্রকল্প ঘোষণা।
- আগামী দুই বছরের মধ্যে 'তীর্থক্ষেত্র সার্কিট' তৈরির কাজ সম্পূর্ণ করার লক্ষ্য।
- রাজ্যের তীর্থস্থানগুলিতে আধুনিক পরিকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থার মানোন্নয়ন।
পর্যটন শিল্পের সামগ্রিক বিকাশ ও কর্মসংস্থান
এই ব্যাপক বিনিয়োগের ফলে শুধুমাত্র ধর্মীয় পর্যটনের বিকাশ ঘটবে তা নয়, পাশাপাশি স্থানীয় স্তরে অর্থনৈতিক কার্যকলাপ ও কর্মসংস্থানের সুযোগও বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে। হোটেল ব্যবসা, পরিবহণ, স্থানীয় হস্তশিল্প এবং গাইড পরিষেবা সহ একাধিক ক্ষেত্রে নতুন কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রাজ্য সরকারের এই বহুমুখী পর্যটন নীতির ফলে পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন মানচিত্র আরও বেশি সমৃদ্ধ হবে এবং আন্তর্জাতিক স্তরে রাজ্যের পর্যটন শিল্প নতুন উচ্চতা অর্জন করবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।