শিয়ালদহ স্টেশনে বড়সড় আধুনিকীকরণ পরিকল্পনা, তৈরি হবে রিক্রিয়েশন জোন ও স্লিপিং পড

শিয়ালদহ স্টেশনে বড়সড় আধুনিকীকরণ পরিকল্পনা, তৈরি হবে রিক্রিয়েশন জোন ও স্লিপিং পড

শিয়ালদহ স্টেশনে বড়সড় আধুনিকীকরণ পরিকল্পনা, তৈরি হবে রিক্রিয়েশন জোন ও স্লিপিং পড

যাত্রীদের সুবিধার্থে এবং পরিকাঠামো উন্নত করতে দেশের অন্যতম ব্যস্ত রেলওয়ে স্টেশন শিয়ালদহকে ঘিরে এক সুদূরপ্রসারী মাস্টারপ্ল্যান ঘোষণা করেছে পূর্ব রেল। রেল মন্ত্রকের আধুনিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় এই ঐতিহাসিক স্টেশনের রূপ বদলাতে চলেছে। স্টেশনে আগত যাত্রীদের দীর্ঘ অপেক্ষার সময় স্বস্তি দিতে এবার তৈরি করা হবে অত্যাধুনিক রিক্রিয়েশন জোন এবং বাজেট-বান্ধব স্লিপিং পড বা ক্যাপসুল হোটেল।

পূর্ব রেলের পরিকল্পনা অনুযায়ী, শিয়ালদহ স্টেশনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ও চত্বরে যাত্রীদের ভিড় এবং সুবিধার কথা মাথায় রেখে এই নতুন সুযোগ-সুবিধাগুলি যুক্ত করা হচ্ছে। বিশেষ করে দূরপাল্লার ট্রেন ধরতে আসা বা ট্রেন থেকে নেমে শহরের অন্যান্য প্রান্তে যাওয়ার জন্য অপেক্ষারত যাত্রীরা এর ফলে দারুণ উপকৃত হবেন। সুলভ মূল্যে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা প্রদানই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য বলে রেল সূত্রে জানানো হয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: পূর্ব রেলের এই নতুন পরিকল্পনা অনুসারে, স্টেশনের নির্ধারিত খালি জায়গায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্লিপিং পড তৈরি করা হবে, যেখানে যাত্রীরা ঘণ্টার হিসেবে খুব কম খরচে বিশ্রাম নিতে পারবেন। এর পাশাপাশি পরিবার ও শিশুদের বিনোদনের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হবে বিশেষ রিক্রিয়েশন জোন এবং আধুনিক ফুড কোর্ট। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

  • শিয়ালদহ স্টেশনের পরিকাঠামো উন্নত করতে বড়সড় আধুনিকীকরণ প্রকল্পের ঘোষণা।
  • যাত্রীদের বিশ্রামের জন্য তৈরি হবে বাজেট-বান্ধব আধুনিক স্লিপিং পড।
  • অপেক্ষার সময় কাটানোর জন্য থাকছে বিশেষ রিক্রিয়েশন জোন ও ফুড কোর্ট।

যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্য ও আগামী দিনের পরিকল্পনা

ভারতীয় রেলের পক্ষ থেকে দেশের প্রধান স্টেশনগুলিকে এয়ারপোর্ট স্টাইলের সুযোগ-সুবিধায় মুড়ে ফেলার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, শিয়ালদহের এই পরিকল্পনা তারই একটি অংশ। প্রতিদিন লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াত থাকা এই স্টেশনে এই ধরনের আধুনিক সুবিধা যুক্ত হলে সাধারণ যাত্রীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।

রেল কর্তৃপক্ষের আশা, এই বহুমুখী উন্নয়নের ফলে শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরের সামগ্রিক চিত্রটাই বদলে যাবে। প্রকল্পের কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করতে রেলের পক্ষ থেকে টেন্ডার প্রক্রিয়া ও প্রাথমিক নকশা তৈরির কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।