১৬ অক্টোবর রাজ্যসভা উপনির্বাচন, পশ্চিমবঙ্গের আসনে বিজেপির প্রার্থী কোয়েল মল্লিক

১৬ অক্টোবর রাজ্যসভা উপনির্বাচন, পশ্চিমবঙ্গের আসনে বিজেপির প্রার্থী কোয়েল মল্লিক

রাজ্যসভা উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী কোয়েল মল্লিক

আসন্ন রাজ্যসভা উপনির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের শূন্য আসনে পদ্মশিবিরের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকের নাম। রবিবার ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব প্রকাশিত প্রার্থীর তালিকায় তাঁর নাম আসার পরেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনার অবসান হয়েছে। আগামী ১৬ অক্টোবর এই আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক সমীকরণ বদলের জেরে ইতিপূর্বে নিজের ছেড়ে আসা আসনটিতেই এবার বিজেপির টিকিটে লড়বেন তিনি।

চলতি বছরের শুরুতে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে রাজ্যসভার সাংসদ নির্বাচিত হয়ে ৬ এপ্রিল শপথ নিয়েছিলেন কোয়েল মল্লিক। তবে গত বিধানসভা নির্বাচনের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গত ১৬ জুলাই তিনি রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন। তাঁর পদত্যাগের পর থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে গুঞ্জন শুরু হয়েছিল যে তিনি বিজেপির পথে হাঁটতে চলেছেন। অবশেষে রবিবার কেন্দ্রীয় বিজেপির তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে তাঁর নাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করায় সেই জল্পনাই সত্যি প্রমাণিত হলো।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১৬ অক্টোবর রাজ্যসভার এই উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ ও গণনা সম্পন্ন হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ অক্টোবর। এর আগে তৃণমূল ছেড়ে সুস্মিতা দেব, সুখেন্দুশেখর রায় এবং প্রকাশ চিক বরাইকদের মতো নেতারাও পদত্যাগ করে বিজেপির টিকিটে পুনরায় রাজ্যসভায় ফিরেছিলেন। কোয়েল মল্লিকের ক্ষেত্রেও ঠিক একই রাজনৈতিক পথ অনুসরণ করা হলো বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

  • রাজ্যসভা উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে আগামী ১৬ অক্টোবর।
  • মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ অক্টোবর ২০২৬।
  • তৃণমূলের সাংসদ পদ ত্যাগের পর বিজেপির প্রার্থী হলেন কোয়েল মল্লিক।

নির্বাচনী সমীকরণ ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

বর্তমান রাজনৈতিক ও বিধানসভার অঙ্কের হিসেবে এই আসনটি বিজেপির দখলে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। ফলে গেরুয়া শিবিরের সমর্থনে কোয়েল মল্লিকের সংসদীয় উচ্চকক্ষে প্রত্যাবর্তন কার্যত সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। আনুষ্ঠানিক যোগদানের আগেই প্রার্থী তালিকাভুক্ত হওয়ার এই ঘটনা রাজ্য রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বাংলার রাজনৈতিক ময়দানে এই পালাবদল নিয়ে বিভিন্ন মহলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মনোনয়ন পর্ব ও স্ক্রুটিনির প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর নির্বাচনী ছবি আরও স্পষ্ট হবে। সব মিলিয়ে অক্টোবরের মাঝামাঝি এই উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে।