Apprenticeship-এর পর চাকরি পাওয়া যায় কি? Career ও Employment-এর সম্ভাবনা জানুন
অ্যাপ্রেন্টিশিপ প্রশিক্ষণ শেষ করার পর স্থায়ী চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা কতটা এবং ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগগুলি কী, জেনে নিন
পড়াশোনা শেষে হাতেকলমে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য অ্যাপ্রেন্টিশিপ (Apprenticeship) করার পর অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে যে এর সুবাদে সরাসরি স্থায়ী চাকরি পাওয়া সম্ভব কি না। বর্তমান কর্পোরেট ও শিল্প জগতের চাহিদায় তাত্ত্বিক সার্টিফিকেটের চেয়ে প্রায়োগিক অভিজ্ঞতার মূল্য অনেক বেশি। তাই সরকারি নিয়ম ও বিভিন্ন কোম্পানির নীতি অনুযায়ী অ্যাপ্রেন্টিশিপ সম্পন্ন করা প্রার্থীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ অন্যান্য সাধারণ আবেদনকারীদের তুলনায় অনেকটাই বেশি থাকে। সফলভাবে প্রশিক্ষণ শেষ করার পর ক্যারিয়ারের পথ কতটা সুগম হয়, তার একটি বিবরণ নিচে দেওয়া হলো।
| কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র | চাকরির সুযোগ ও বিশেষ সুবিধা | স্থায়ীকরণের সম্ভাবনা | | :--- | :--- | :--- | | **ভারতীয় রেলওয়ে (Railway)** | গ্রুপ ডি এবং বিভিন্ন টেকনিক্যাল পদে নির্দিষ্ট পার্সেন্টেজ সংরক্ষণ ও বোনাস মার্কস | অত্যন্ত বেশি (নিয়ম অনুযায়ী বিশেষ অগ্রাধিকার) | | **পাবলিক সেক্টর আন্ডারটেকিং (PSU)** | ওএনজিসি, কোল ইন্ডিয়া বা পাওয়ার গ্রিডের মতো সংস্থায় সরাসরি নিয়োগের সুযোগ | মাঝারি থেকে উচ্চ (বিজ্ঞপ্তি সাপেক্ষে) | | **বেসরকারি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি** | প্রশিক্ষণ চলাকালীন পারফরম্যান্স ভালো হলে ওই কোম্পানিতেই পার্মানেন্ট রোল অফার | বেশি (দক্ষ কর্মীদের ধরে রাখতে কোম্পানিগুলো অগ্রাধিকার দেয়) |Key Highlights:
- রেলওয়ে সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সরকারি প্রতিষ্ঠানে অ্যাপ্রেন্টিশিপ করা প্রার্থীদের জন্য লিখিত পরীক্ষায় বিশেষ ছাড় ও অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
- বেসরকারি ও কর্পোরেট সংস্থায় ইন্টার্নশিপ বা অ্যাপ্রেন্টিশিপ করার সময় ভালো কাজ দেখাতে পারলে সরাসরি পূর্ণ সময়ের চাকরি (Full-time Job) অফার করা হয়।
- প্রশিক্ষণ শেষে সেন্ট্রাল গভর্মেন্ট স্বীকৃত ন্যাশনাল অ্যাপ্রেন্টিশিপ সার্টিফিকেট (NAC) পাওয়া যায়, যা যেকোনো ইন্টারভিউতে সিভি-র ওজন অনেক বাড়িয়ে দেয়।
অ্যাপ্রেন্টিশিপের পর চাকরির সুযোগ বাড়ানোর কার্যকরী উপায়
প্রশিক্ষণ চলাকালীন প্রতিটি কাজ নিষ্ঠার সঙ্গে শিখতে হবে এবং সিনিয়র টেকনিশিয়ান বা ম্যানেজারদের সঙ্গে ভালো কাজের সম্পর্ক রাখতে হবে। ট্রেনিং পিরিয়ড শেষ হওয়ার পর নিজের অভিজ্ঞতা পোর্টফোলিও বা বায়োডাটায় যুক্ত করে বিভিন্ন শিল্প সংস্থায় নিয়মিত আবেদন করলে খুব সহজেই কাঙ্ক্ষিত স্থায়ী চাকরি পাওয়া সম্ভব।