Apprenticeship করলে কত টাকা Stipend পাওয়া যায়? যোগ্যতা ও আবেদনের নিয়ম জানুন

Apprenticeship করলে কত টাকা Stipend পাওয়া যায়? যোগ্যতা ও আবেদনের নিয়ম জানুন

অ্যাপ্রেন্টিশিপ চলাকালীন প্রতি মাসে কত টাকা স্টাইপেন্ড বা ভাতা পাওয়া যায় এবং এর জন্য যোগ্যতার মাপকাঠি কী, জেনে নিন

পড়াশোনা শেষ করে হাতেকলমে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য অ্যাপ্রেন্টিশিপ (Apprenticeship) একটি দারুণ সুযোগ। এই প্রশিক্ষণ চলাকালীন কেন্দ্র সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রশিক্ষণার্থীদের প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট অঙ্কের আর্থিক সহায়তা বা স্টাইপেন্ড প্রদান করা হয়। শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং কোর্সের ধরনের ওপর ভিত্তি করে এই ভাতার পরিমাণ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্ধারিত হয়ে থাকে। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অ্যাপ্রেন্টিশিপ করলে কোন স্তরে কেমন স্টাইপেন্ড পাওয়া যায়, তার একটি বিস্তারিত তালিকা নিচে দেওয়া হলো।

| শিক্ষাগত যোগ্যতা / ক্যাটাগরি | নির্ধারিত মাসিক স্টাইপেন্ডের হার (প্রায়ী) | | :--- | :--- | | **স্কুল পাশ (অষ্টম থেকে দশম শ্রেণি)** | ৬,০০০ - ৭,০০০ টাকা | | **উচ্চমাধ্যমিক বা ভোকেशनल পাশ** | ৭,০০০ - ৮,০০০ টাকা | | **আইটিআই (ITI) পাশ প্রশিক্ষণার্থী** | ৭,৭০০ - ৯,০০০ টাকা (ট্রেড ভেদে ভিন্ন) | | **ডিপ্লোমা হোল্ডার (ইঞ্জিনিয়ারিং/নন-ইঞ্জিনিয়ারিং)** | ১০,০০০ - ১২,০০০ টাকা | | **গ্র্যাজুয়েট বা বি.টেক ডিগ্রিধারী** | ৯,০০০ - ১৫,০০০ টাকা |

Key Highlights:

  • অ্যাপ্রেন্টিশিপ আইনের নিয়ম অনুযায়ী প্রশিক্ষণার্থীদের নির্দিষ্ট হারে মাসিক স্টাইপেন্ড দেওয়া বাধ্যতামূলক।
  • আইটিআই বা ডিগ্রি সম্পূর্ণ করার পর এই প্রশিক্ষণ নিলে কাজের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি হাতখরচ তোলার সুযোগও মেলে।
  • কিছু পিএসইউ (PSU) এবং নামী মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে এই ভাতার পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে।

যোগ্যতা এবং অনলাইনে আবেদনের সহজ নিয়ম

অ্যাপ্রেন্টিশিপে আবেদনের জন্য ন্যূনতম বয়স ১৪ বছর হতে হয় এবং নির্দিষ্ট ট্রেড অনুযায়ী মাধ্যমিক, আইটিআই, ডিপ্লোমা বা ডিগ্রি পাশ সার্টিফিকেট থাকতে হয়। আবেদন করার জন্য ন্যাশনাল অ্যাপ্রেন্টিশিপ প্রমোশন স্কিম (NAPS) বা NATS পোর্টালে গিয়ে রেজিস্ট্রি করতে হয়। প্রোফাইল তৈরি করার পর উপলব্ধ সুযোগ বা ভ্যাকেন্সি দেখে সরাসরি অনলাইনে আবেদন করা সম্ভব।