কলকাতায় সাফরন মার্চ ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি: গোলপার্ক থেকে যাদবপুর পর্যন্ত যান নিয়ন্ত্রণের বিশেষ পরিকল্পনা পুলিশের
কলকাতায় আসন্ন সাফরন মার্চ ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি, গোলপার্ক থেকে যাদবপুর যান নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা
রাজধানী শহর কলকাতায় একটি বড় রাজনৈতিক বা সামাজিক কর্মসূচি হিসেবে নির্ধারিত 'সাফরন মার্চ' (Saffron March)-কে কেন্দ্র করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট এই মিছিলটি কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত রুট গোলপার্ক থেকে শুরু হয়ে যাদবপুর পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করার কথা রয়েছে। এই বিশাল জমায়েত ও মিছিলের জেরে শহরের দক্ষিণাংশের প্রধান সড়কগুলিতে যাতে কোনো বড় ধরনের যানজট তৈরি না হয় এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াত ব্যাহত না হয়, তার জন্য কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে একটি সুনির্দিষ্ট রুট ও ট্রাফিক ডাইভারশনের ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মিছিলের দিন গোলপার্ক, গড়িয়াহাট এবং যাদবপুর সংলগ্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী ও ট্রাফিক গার্ড মোতায়েন করা হবে। মিছিল চলাকালীন নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সাধারণ যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত করা হবে এবং প্রয়োজনে বিকল্প পথ দিয়ে গাড়ি ঘুরিয়ে দেওয়া হবে। অফিস ফেরত মানুষ ও সাধারণ পথচারীদের যাতে ন্যূনতম ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়, তার জন্য ট্রাফিক কন্ট্রোল রুম থেকে ধাপে ধাপে আপডেট দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। মিছিলের আয়োজকদের সঙ্গেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক দফা বৈঠক করে নিয়মশৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: ট্রাফিক পুলিশের নির্দেশিকা অনুযায়ী, সাফরন মার্চের দিন গোলপার্ক থেকে যাদবপুরগামী মূল রাস্তায় যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে এবং যাত্রীদের সময় হাতে নিয়ে বিকল্প রুট বেছে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
- কর্মসূচির রুট: গোলপার্ক থেকে শুরু হয়ে যাদবপুর পর্যন্ত নির্ধারিত পথ
- প্রশাসনিক পদক্ষেপ: কলকাতা পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ ট্রাফিক ডাইভারশন ও গার্ড মোতায়েন
- যানবাহন নিয়ন্ত্রণ: মিছিল চলাকালীন নির্ধারিত সময়ে রুট পরিবর্তন ও বিকল্প রাস্তা ব্যবহার
- সাধারণের জন্য পরামর্শ: জ্যাম এড়াতে নির্দিষ্ট সময়ে যাতায়াত ও লাইভ ট্রাফিক আপডেট অনুসরণ
নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ট্রাফিক ডাইভারশনের রুট
শহরের আইনশৃঙ্খলা ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কলকাতা পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা পুরো পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন। মিছিলের রুট বরাবর সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিংগুলিতে সিসিটিভি ক্যামেরা ও বিশেষ পুলিশি ব্যারিকেড বসানো হচ্ছে। কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পর্যাপ্ত পরিমাণে মহিলা পুলিশ ও র্যাফ (RAF) মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনিক মহলের মতে, এই ধরনের বড় জমায়েতের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের স্বস্তি বজায় রাখাটাই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সেই কথা মাথায় রেখেই ট্রাফিক পুলিশ আগে থেকেই সাধারণ নাগরিকদের উদ্দেশে বিস্তারিত গাইডলাইন প্রকাশ করেছে। যথাসময়ে পুলিশের এই সুশৃঙ্খল ব্যবস্থার ফলে বড় ধরনের যানজট এড়ানো সম্ভব হবে বলেই আশা করা হচ্ছে।