সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ ও থিয়েটার রোডে রাস্তা ধসে বিপত্তি, দক্ষিণ-মধ্য কলকাতায় তীব্র যানজট
রাস্তা ধসে কলকাতার প্রাণকেন্দ্রে তীব্র যানজট, চরম ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ
কলকাতার দুই অত্যন্ত ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ এবং থিয়েটার রোডে হঠাৎ রাস্তা ধসে যাওয়ার ফলে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ভূগর্ভস্থ নিকাশি পাইপলাইন ফেটে যাওয়া কিংবা মাটি আলগা হয়ে যাওয়ার কারণে এই ধসের ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিক অনুমান করা হচ্ছে। আকস্মিক এই বিপর্যয়ের ফলে রাস্তা দুটির একাংশ বসে যাওয়ায় নিরাপত্তার খাতিরে সেখানে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে বাধ্য হয় ট্রাফিক পুলিশ। এর জেরে দক্ষিণ ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় তীব্র যানজটের কবলে পড়েন অফিসযাত্রী ও সাধারণ নাগরিকরা।
সকাল থেকেই শহরের অন্যতম প্রধান ধমনী সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ এবং থিয়েটার রোডের এই ধসের জেরে গাড়িগুলিকে অত্যন্ত ধীরগতিতে চলাচল করতে দেখা যায়। বিকল্প রাস্তা দিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালালেও যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে শহরের একাধিক সংযোগকারী পথ স্তব্ধ হয়ে পড়ে। কলকাতা পৌরসংস্থা এবং পুলিশ প্রশাসনের বিপর্যয় মোকাবিলা দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেরামতির কাজ শুরু করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলে যাতে কোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে, তার জন্য বিশেষ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ ও থিয়েটার রোডে রাস্তা ধসে যাওয়ার কারণে দক্ষিণ ও মধ্য কলকাতায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়েছে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসন কাজ করছে।
- সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ ও থিয়েটার রোডের গুরুত্বপূর্ণ অংশে রাস্তা ধসে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়।
- ব্যস্ততম সময়ে এই ঘটনার জেরে দক্ষিণ-মধ্য কলকাতার বিভিন্ন প্রধান রাস্তায় তীব্র যানজট তৈরি হয়।
- পৌরসভার প্রকৌশলী ও কর্মীরা দ্রুত রাস্তা মেরামতের কাজ শুরু করেছেন।
- যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বিকল্প পথ বাতলে দেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের মেরামতি ও তৎপরতা
পৌরসভা সূত্রে জানানো হয়েছে যে, ভূগর্ভস্থ পুরনো পাইপলাইন বা নিকাশির সমস্যার কারণে এই ধরনের ধস নামছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্রুত যুদ্ধকালীন তৎপরতায় রাস্তা মেরামত করে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। তবে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে শহরের অন্যান্য পুরনো ভূগর্ভস্থ পরিকাঠামো গুলিও খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন শহরবাসী।