তাংরায় খাবারের দোকানে কড়া অভিযান: খাদ্যনিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রায় ৫০০ কেজি মাংস ও মাছ বাজেয়াপ্ত কেএমসি-র

তাংরায় খাবারের দোকানে কড়া অভিযান: খাদ্যনিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে প্রায় ৫০০ কেজি মাংস ও মাছ বাজেয়াপ্ত কেএমসি-র

তাংরার নামী রেস্তোরাঁয় কেএমসি-র কড়া অভিযান, বাজেয়াপ্ত ৫০০ কেজি বাসি খাবার

খাদ্যনিরাপত্তা বিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার সংরক্ষণের অভিযোগে শহরের এক জনপ্রিয় রেস্তোরাঁয় হানা দিল কলকাতা পৌরসংস্থার (KMC) বিশেষ দল। তাংরা এলাকার একটি নামী রেস্তোরাঁয় চালানো এই আকস্মিক অভিযানে প্রায় ৫০০ কেজি বাসি ও লেবেলহীন মাছ, চিকেন ও প্রন বা চিংড়ি মাছ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে এই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে পুরসভা।

কেএমসি সূত্রে জানা গেছে, ফুড সেফটি অফিসার ও স্বাস্থ্য আধিকারিকরা ওই রেস্তোরাঁর ফ্রিজ এবং গুদামে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালান। ফ্রীজে রাখা মাংস ও মাছের কোনো সঠিক লেবেলিং বা সংরক্ষণের তারিখ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন আধিকারিকরা। কোন সময়ের পুরনো খাবার সেখানে মজুত রাখা হয়েছিল, তা নিয়ে সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেনি রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ। পরবর্তীতে জনস্বাস্থ্য বিপদের আশঙ্কায় ওই বিপুল পরিমাণ খাদ্যসামগ্রী বাজেয়াপ্ত করে ধাপা ডাম্পিং গ্রাউন্ডে নষ্ট করার জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: অনিয়ম ধরা পড়ার পর ওই রেস্তোরাঁর ব্যবহৃত ভোজ্য তেল এবং ব্রেডক্রাম্বের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।

  • ট্যাংরার জনপ্রিয় ওই রেস্তোরাঁ থেকে প্রায় ৫০০ কেজি মাংস ও মাছ বাজেয়াপ্ত করা হয়।
  • খাদ্যপণ্যের গায়ে কোনো উৎপাদন বা মেয়াদের তারিখ না থাকায় ক্ষুব্ধ হন পুর আধিকারিকরা।
  • খাদ্যনিরাপত্তার মানদণ্ড না মানায় রেস্তোরাঁটির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

জনস্বাস্থ্য ও প্রশাসনের কঠোর বার্তা

শহরের বিভিন্ন নামী-দামী খাবারের দোকানে নিম্নমানের ও বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এই ধরনের ঘটনায় কড়া বার্তা দিয়ে পৌরনিগম জানিয়েছে যে, জনস্বাস্থ্য নিয়ে কোনোভাবেই ছেলেখেলা বরদাস্ত করা হবে না।

আগামী দিনেও কলকাতার অন্যান্য রেস্তোরাঁ এবং ফুড জয়েন্টগুলিতে এই ধরনের সারপ্রাইজ ভিজিট বা অভিযান লাগাতার চালিয়ে যাওয়া হবে বলে স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।