Vivo নাকি OPPO—কোন ফোনের রিসেল ভ্যালু বেশি? পুরনো ফোন বিক্রির বাজারদর

Vivo নাকি OPPO—কোন ফোনের রিসেল ভ্যালু বেশি? পুরনো ফোন বিক্রির বাজারদর

Vivo নাকি OPPO—পুরনো ফোন বিক্রির সময় কোনটির রিসেল ভ্যালু বেশি পাওয়া যায়?

একটি স্মার্টফোন ব্যবহার করার পর সেটি পরিবর্তন করে নতুন ফোন কেনার সময় পুরনো ডিভাইসের রিসেল ভ্যালু বা বাজারদর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। জনপ্রিয় ব্র্যান্ড Vivo এবং OPPO—উভয়েরই সেকেন্ড-হ্যান্ড মার্কেটে ভালো চাহিদা রয়েছে। তবে ব্র্যান্ড ইমেজ, মডেলের জনপ্রিয়তা এবং ডিমান্ডের ওপর ভিত্তি করে রিসেল ভ্যালুতে কিছু তারতম্য দেখা যায়।

সাধারণত ফ্ল্যাগশিপ বা প্রিমিয়াম ভি এবং রেনো (Reno) সিরিজের ফোনগুলোর রিসেল ভ্যালু বাজেট বা মিড-রেঞ্জ সিরিজের তুলনায় কিছুটা ভালো থাকে। বাজারে ব্র্যান্ড দুটির জনপ্রিয়তা প্রায় সমান হওয়ায় পুরনো ফোন বিক্রির সময় ক্রেতা পাওয়া তুলনামূলক সহজ হয়। তবে কন্ডিশন, বক্স ও অরিজিনাল চার্জার সঙ্গে থাকলে রিসেল প্রাইস অনেকটাই বেশি পাওয়া সম্ভব।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: ফোনের বাহ্যিক কন্ডিশন, ব্যাটারি হেলথ এবং অফিশিয়াল ওয়ারেন্টি পেপার থাকলে যেকোনো ব্র্যান্ডের ফোনেই ভালো রিসেল ভ্যালু পাওয়া যায়।

  • Vivo-র ক্যামেরা ফোকাসড ফোনগুলোর সেকেন্ড-হ্যান্ড বাজারে তরুণ ক্রেতাদের মধ্যে ভালো চাহিদা রয়েছে।
  • OPPO-র স্টাইলিশ ডিজাইন ও দীর্ঘস্থায়ী পারফরম্যান্সের কারণে এর পুরনো মডেলগুলোর দামও বেশ স্থিতিশীল থাকে।
  • উভয় ব্র্যান্ডের ক্ষেত্রেই অফিশিয়াল ভারতীয় বা স্থানীয় ওয়ারেন্টি কার্ড থাকলে রিসেল ভ্যালু ৫ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি পাওয়া যায়।

রিসেল ভ্যালু বাড়ানোর কার্যকরী উপায়

পুরনো ফোন বিক্রি করার সময় সঠিক মূল্য পেতে কিছু বিষয় মাথায় রাখা দরকার। যেমন—ফোনে কোনো স্ক্র্যাচ বা বড় ধরনের ডেন্ট না থাকা, অরিজিনাল ফাস্ট চার্জার ও বক্স সুরক্ষিত রাখা এবং নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট দিয়ে ফোন সচল রাখা। এছাড়া ফোনের ব্যাটারি হেলথ ভালো থাকলে ক্রেতারা সহজেই বেশি দাম দিতে রাজি হন।

সামগ্রিকভাবে, রিসেল ভ্যালুর দিক থেকে Vivo এবং OPPO প্রায় সমকক্ষ অবস্থানে রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট কিছু প্রিমিয়াম মডেলে সামান্য তারতম্য দেখা যেতে পারে।