যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেল থেকে বিতর্কিত দেওয়াল লিখন মুছে ফেলা হলো, মুখ্যমন্ত্রীর আল্টিমেটামের পর
মুখ্যমন্ত্রীর আল্টিমেটামের পরেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিতর্কিত দেওয়াল লিখন মোছার কাজ শুরু
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কঠোর আল্টিমেটাম ও নির্দেশ জারির পরপরই অবশেষে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ হস্টেল চত্বর থেকে সমস্ত বিতর্কিত দেওয়াল লিখন মুছে ফেলা হলো। গত কয়েকদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে এই নির্দিষ্ট দেওয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। পরিস্থিতি যাতে আর বেশি না গড়াতে পারে, সেই কারণেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
এর আগে আইনশৃঙ্খলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হস্টেল চত্বর থেকে ওই আপত্তিকর ও বিতর্কিত স্লোগান বা লেখা অপসারণ করার জন্য কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। প্রশাসনের সেই সতর্কবার্তার পরেই নড়েচড়ে বসে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট মহল। অবশেষে সমস্ত বিতর্কিত দেওয়াল লিখন সম্পূর্ণভাবে মুছে ফেলা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসে বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে খবর।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: মুখ্যমন্ত্রীর তরফ থেকে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার পরেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলে এই দেওয়াল লিখন অপসারণের কাজ ত্বরান্বিত করা হয়।
- মুখ্যমন্ত্রীর আল্টিমেটামের পর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেল থেকে বিতর্কিত দেওয়াল লিখন মোছা হলো।
- ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং উত্তেজনা প্রশমিত করতে এই দ্রুত পদক্ষেপ।
- প্রশাসন ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের যৌথ উদ্যোগে পুরো কাজটি সম্পন্ন করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে নিরাপত্তা ও প্রশাসনের নজরদারি
সাম্প্রতিক এই ঘটনার পর থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কঠোর করা হয়েছে। হস্টেলগুলিতে বহিরাগতদের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণে কড়া নজরদারি চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পঠনপাঠন ও শান্তিভঙ্গ করার যে কোনো প্রচেষ্টাকে শক্ত হাতে দমন করা হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
শিক্ষাঙ্গনে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা যাতে শান্ত ও অনুকূল পরিবেশে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেন, সেই দিকেই এখন বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানের ফলে ক্যাম্পাসের বর্তমান পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।