নেপালের ভয়াবহ হড়পা বান থেকে উত্তরপাড়ার অঞ্জনাসহ ১৭ পর্যটকের প্রাণরক্ষা, স্বস্তিতে পরিবার
নেপালের ভয়াবহ হড়পা বানে রক্ষা পেলেন উত্তরপাড়ার পর্যটক
নেপালে সাম্প্রতিক হিমবাহ হ্রদ বিস্ফোরণ এবং ভয়াবহ হড়পা বানের কবলে পড়েছিলেন বাংলার বেশ কয়েকজন পর্যটক। এর মধ্যে হুগলির উত্তরপাড়ার বাসিন্দা অঞ্জনা সহ মোট ১৭ জন পর্যটক নিরাপদে উদ্ধার হয়েছেন। এই আকস্মিক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের খবর পাওয়ার পর থেকেই চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটছিল পরিবারগুলির। অবশেষে প্রিয়জনদের উদ্ধারের খবর মিলতেই উত্তরপাড়াসহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা পরিবারগুলির মধ্যে স্বস্তির নিঃশ্বাস পড়েছে।
গত কয়েকদিন ধরে নেপালের বিভিন্ন পার্বত্য অঞ্চলে লাগাতার প্রাকৃতিক তাণ্ডব চলেছে। হড়পা বান ও ভূমিধসের জেরে বহু রাস্তাঘাট বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। আটকে থাকা পর্যটকদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দলগুলি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর সব ধরনের মানবিক সহায়তার আশ্বাস দেওয়ার পর উদ্ধারকাজ আরও গতি পায়।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: নেপালের এই আকস্মিক বিপর্যয় থেকে উত্তরপাড়ার অঞ্জনা সহ ১৭ জনের দলটির অক্ষত অবস্থায় ফিরে আসার খবর নিশ্চিত করেছে তাদের পরিবার।
- নেপালের ভয়াবহ হিমবাহ হ্রদ বিস্ফোরণ ও হড়পা বানের কবলে পড়েছিলেন পর্যটকরা।
- উত্তরপাড়ার অঞ্জনা সহ মোট ১৭ জন পর্যটক নিরাপদে উদ্ধার হয়েছেন।
- প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ এবং মানবিক সহায়তার আশ্বাসে স্বস্তি ফিরেছে পরিবারগুলিতে।
উদ্ধারকার্য ও পরিবারের প্রতিক্রিয়া
ভয়াবহ সেই বিপদের মুহূর্তগুলোর কথা মনে করে শিউরে উঠছেন উদ্ধার হওয়া পর্যটকরা। কীভাবে চোখের পলকে চারপাশ জলে ভেসে গিয়েছিল এবং তাঁরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছিলেন, সেই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন তাঁরা। তবে স্থানীয় প্রশাসন, উদ্ধারকারী কর্মী এবং ভারতীয় দূতাবাসের তৎপরতায় শেষ পর্যন্ত বড় কোনো বিপদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব হয়েছে।
বর্তমানে উদ্ধার হওয়া পর্যটকদের নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে এবং তাদের রাজ্যে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন পরিবারের সদস্যরা। দ্রুত সমস্ত পর্যটক যাতে সুস্থ শরীরে বাড়ি ফিরে আসতে পারেন, এখন তারই অপেক্ষায় দিন গুণছেন প্রিয়জনেরা।