ক্যামাক স্ট্রিটের অশান্তির ঘটনায় তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনকে তলব কলকাতা পুলিশের

ক্যামাক স্ট্রিটের অশান্তির ঘটনায় তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনকে তলব কলকাতা পুলিশের

ক্যামাক স্ট্রিটের অশান্তির ঘটনায় তৃণমূল সাংসদকে তলব করল পুলিশ

কলকাতার ব্যস্ত ক্যামাক স্ট্রিট চত্বরে সাম্প্রতিককালের একটি রাজনৈতিক অশান্তি ও সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্তের গতি তীব্র করেছে কলকাতা পুলিশ। ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে এবার সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সংসদ সদস্য ডেরেক ও’ব্রায়েনকে তলব করা হয়েছে বলে লালবাজার সূত্রে জানা গেছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লালবাজারে হাজিরা দেওয়ার জন্য তাঁর কাছে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে, যা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে।

গত কিছুদিন ধরে ক্যামাক স্ট্রিট এলাকায় একটি গন্ডগোল ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছিল। সেই ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা রুজু করা হয় এবং বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। তদন্ত এগোতেই এই ঘটনায় উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নাম উঠে আসে। ঘটনার নেপথ্যে প্রকৃত কারণ কী ছিল এবং ওই ভিড়ের মধ্যে বা গন্ডগোলের সময় সাংসদের কোনো সংশ্লিষ্টতা বা ভূমিকা ছিল কিনা, তা স্পষ্ট করতেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: ক্যামাক স্ট্রিটের গন্ডগোল মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনকে লালবাজারে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা পুলিশ।

  • ক্যামাক স্ট্রিটের অশান্তির ঘটনায় তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনকে তলব।
  • পুলিশের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট নোটিশ পাঠিয়ে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
  • ঘটনার আইনি দিক এবং অন্যান্য অভিযুক্তদের ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে যে, আইনশৃঙ্খলা ভাঙার ওই ঘটনায় যারা সরাসরি যুক্ত ছিল তাদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সমস্ত তথ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ এবং ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষীদের বয়ান রেকর্ড করে পুরো ঘটনার একটি স্পষ্ট চিত্র তৈরি করার চেষ্টা চালাচ্ছে গোয়েন্দা বিভাগ। নির্ধারিত দিনে সাংসদ হাজিরা দেন কিনা এবং পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি কী জানান, সেদিকেই এখন সবার নজর রয়েছে।

এই পুলিশি তলবকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও ইতিমধ্যেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিরোধী দলগুলি এই ইস্যুকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন শিবিরকে আক্রমণ শানাতে শুরু করেছে, অন্যদিকে শাসক দলের পক্ষ থেকেও গোটা পরিস্থিতি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। আগামী দিনে তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে এই মামলা কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।