দুর্গাপুজোর আগে স্বস্তির খবর, রাজ্যজুড়ে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা কমছে বলে জানাল আলিপুর আবহাওয়া দফতর
দুর্গাপুজোর আগে আবহাওয়া নিয়ে বড় স্বস্তির খবর, কমছে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা
মহোৎসবের দিনগুলি ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গেই আবহাওয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে চলা জল্পনার অবসান ঘটিয়ে স্বস্তির বার্তা দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দুর্গাপুজোর দিনগুলিতে রাজ্যে ভারী বৃষ্টির কোনো বড় আশঙ্কার সম্ভাবনা আপাতত নেই। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া অনুকূল পরিস্থিতির কারণে বিগত কিছুদিন ধরে যে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হচ্ছিল, তা ক্রমশ কমে আসায় পুজোপ্রেমী মানুষের মুখে হাসি চওড়া হয়েছে।
শারদীয়া উৎসবের প্রস্তুতি যখন তুঙ্গে এবং কলকাতার পাশাপাশি জেলার পুজো মণ্ডপগুলিতে শেষ মুহূর্তের রূপসজ্জার কাজ চলছে, ঠিক সেই সময়েই বৃষ্টির ভ্রূকুটি কাটায় হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন আয়োজকরা। আবহাওয়াবিদদের মতে, বর্ষা বিদায়ের পথ সুগম হওয়ার কারণে আগামী দিনে আকাশ ধীরে ধীরে পরিষ্কার হতে শুরু করবে। এর ফলে পুজো কেনাকাটা ও ঘোরাঘুরির আনন্দ মাটি হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গেছে, যা উৎসবের দিনগুলিতে মনোরম পরিবেশ বজায় রাখতে সাহায্য করবে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: আলিপুর আবহাওয়া দফতরের সাম্প্রতিক বুলেটিন অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ভ্যাপসা গরম ও আর্দ্রতাজনিত সামান্য অস্বস্তি কিছুটা বজায় থাকলেও বড় ধরনের দুর্যোগের কোনো পূর্বাভাস নেই। বিক্ষিপ্তভাবে হালকা বা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হলেও তা পুজোর আনন্দে কোনো বড় বাধা সৃষ্টি করবে না। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকাগুলিতেও আবহাওয়া ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে এগোচ্ছে।
- দুর্গাপুজোর আগে রাজ্যবাসীর জন্য স্বস্তির খবর দিল আবহাওয়া দফতর।
- রাজ্যজুড়ে পুজোর দিনগুলিতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আপাতত কম রয়েছে।
- আকাশ পরিষ্কার হওয়ার পথে থাকায় উৎসবের কেনাকাটায় গতি আসবে।
উৎসবের মরশুমে কেমন থাকবে সামগ্রিক আবহাওয়া
মৌসুম ভবন জানিয়েছে যে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের বাকি অংশ থেকেও বর্ষা সম্পূর্ণরূপে বিদায় নিতে শুরু করবে। রাতের দিকে তাপমাত্রা সামান্য কম অনুভূত হতে পারে, যা শরতের আমেজকে আরও কিছুটা মনোরম করে তুলবে। তবে দিনের বেলায় রোদের তেজ ও আর্দ্রতার কারণে কিছুটা গরম অনুভূত হওয়া স্বাভাবিক।
সব মিলিয়ে, পুজো প্রস্তুতির এই শেষ মুহূর্তে আবহাওয়ার এই অনুকূল পরিবর্তন উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে সাধারণ ক্রেতা—সকলের পক্ষেই অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক বলে মনে করা হচ্ছে। পুজোর দিনগুলিতে আবহাওয়া মূলত শুষ্ক ও অনুকূল থাকলেই উৎসবের আনন্দ দ্বিগুণ হবে বলেই আশা করা হচ্ছে।