কুলতলীতে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ: স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে পাশবিক অত্যাচার, পলাতক অভিযুক্ত প্রতিবেশী
কুলতলীতে গৃহবধূকে বাড়িতে একা পেয়ে ধর্ষণের অভিযোগ
দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কুলতলী থানা এলাকায় এক গৃহবধূকে তাঁর নিজের বাড়িতেই একা পেয়ে এক প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে এই নৃশংস ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই গৃহবধূর স্বামী কাজের সূত্রে বাইরে বা অন্য শহরে ছিলেন, আর সেই সুযোগটিকেই কাজে লাগায় অভিযুক্ত প্রতিবেশী যুবক।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার রাতে বাড়িতে সম্পূর্ণ একাই ছিলেন ওই গৃহবধূ। সেই সময় অভিযুক্ত প্রতিবেশী যুবক টুকাই তাঁর বাড়িতে এসে কড়া নাড়ে এবং দরজা খুলতে বলে। সরল বিশ্বাসে গৃহবধূ দরজা খুলতেই অভিযুক্ত জোরপূর্বক ঘরের ভেতরে ঢুকে তাঁর মুখ চেপে ধরে এবং পাশবিক অত্যাচার চালায়। শুধু তাই নয়, এই ঘটনা কাউকে জানালে ভুক্তভোগীকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগে প্রকাশ।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: ঘটনার আকস্মিকতায় ভেঙে পড়লেও মানসিকভাবে নিজেকে সামলে ওই গৃহবধূ ফোন করে তাঁর স্বামীকে সমস্ত বিষয়টি জানান এবং স্বামী দ্রুত বাড়ি ফিরে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
- ঘটনার স্থান: দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কুলতলী থানা এলাকা
- অভিযুক্ত ব্যক্তি: স্থানীয় প্রতিবেশী যুবক (টুকাই)
- প্রাথমিক পদক্ষেপ: ভুক্তভোগীর স্বামীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) অনুযায়ী মামলা রুজু
- পুলিশের ভূমিকা: ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পলাতক থাকায় তার খোঁজে জোরদার তল্লাশি শুরু করেছে কুলতলী থানার পুলিশ
পুলিশি তদন্ত ও অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি
পরিবারের পক্ষ থেকে কুলতলী থানায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করার পর নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন। পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করেছে এবং ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত প্রতিবেশী যুবক এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পলাতক অভিযুক্তকে দ্রুত পাকড়াও করার জন্য বিভিন্ন সম্ভাব্য স্থানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। অন্যদিকে, এই জঘন্য ঘটনার জেরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে এবং তারা অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এলাকার নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশের পক্ষ থেকেও বাড়তি নজরদারি রাখা হচ্ছে।