কোটায় সরকারি স্কুলের মিড-ডে মিল খেয়ে বিষক্রিয়া, ২১ জনেরও বেশি পড়ুয়া অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি

কোটায় সরকারি স্কুলের মিড-ডে মিল খেয়ে বিষক্রিয়া, ২১ জনেরও বেশি পড়ুয়া অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি

কোটায় মিড-ডে মিল খেয়ে বিষক্রিয়া, অসুস্থ বহু শিক্ষার্থী

রাজস্থানের কোটা (Kota) জেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিলের খাবার খেয়ে তীব্র খাদ্যে বিষক্রিয়ার (Food Poisoning) শিকার হলো অন্তত ২১ জনেরও বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়া। খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই একের পর এক শিক্ষার্থী পেটে তীব্র যন্ত্রণা, বমি ও মাথা ঘোরা অনুভব করতে শুরু করে। শিক্ষার্থীদের আকস্মিক অসুস্থতায় স্কুল চত্বরে চরম আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত উদ্ধারকাজে এগিয়ে আসেন। অসুস্থ সমস্ত শিশুকেই দ্রুত নিকটবর্তী সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে চিকিৎসকেরা তাঁদের কড়া পর্যবেক্ষণে রেখে জরুরি চিকিৎসা প্রদান করছেন। প্রাথমিক চিকিৎসায় জানা গেছে, খাবারে কোনো বিষাক্ত উপাদানের উপস্থিতির কারণেই এই বিপত্তি ঘটেছে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: ঘটনার বিবরণ ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের মূল দিকগুলি:

  • মিড-ডে মিলের দেওয়া খাবার বা খিচুড়ি খাওয়ার পরেই শিশুদের শারীরিক অসুস্থতা শুরু হয়।
  • অসুস্থ শিশুদের কোটা মহাতমা গান্ধী সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে চিকিৎসার ব্যবস্থা।
  • খাদ্যের নমুনা (Food Samples) সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
  • ঘটনার তদন্তে জেলা শিক্ষা দফতর ও জেলা প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের দল গঠন।

প্রশাসনিক তদন্ত ও ক্ষোভ

ঘটনার খবর পেয়েই জেলাশাসক এবং শিক্ষা আধিকারিকেরা হাসপাতালে পৌঁছে চিকিৎসাধীন শিশুদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, বর্তমানে শিশুদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল এবং বড় ধরনের বিপদের আশঙ্কা নেই। তবে এ জাতীয় গাফিলতির তীব্র নিন্দা জানিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন অভিভাবকেরা।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই ঘটনার পেছনে রান্নার উপকরণের মান ও পরিচ্ছন্নতার গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দোষী রাঁধুনি বা সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।