রাজ্যের সমস্ত বেসরকারি হাসপাতালে নির্দিষ্ট কমলা ও সাদা রঙের আইডেন্টিফিকেশন বোর্ড বাধ্যতামূলক করল স্বাস্থ্য কমিশন

রাজ্যের সমস্ত বেসরকারি হাসপাতালে নির্দিষ্ট কমলা ও সাদা রঙের আইডেন্টিফিকেশন বোর্ড বাধ্যতামূলক করল স্বাস্থ্য কমিশন

রাজ্যের বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে নির্দিষ্ট রঙের আইডেন্টিফিকেশন বোর্ড বাধ্যতামূলক করল স্বাস্থ্য কমিশন

রাজ্যের সমস্ত বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং নার্সিংহোমের জন্য একটি বড় নির্দেশিকা জারি করল পশ্চিমবঙ্গ ক্লিনিক্যাল এস্টাবলিশমেন্ট রেগুলেটরি কমিশন। চিকিৎসাকেন্দ্রগুলিকে আরও স্বচ্ছ ও সহজে চেনার সুবিধার্থে এবার থেকে নির্দিষ্ট কমলা এবং সাদা রঙের আইডেন্টিফিকেশন বোর্ড বা সাইনবোর্ড লাগানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, প্রতিটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের বাইরের মূল প্রবেশদ্বারে বা দৃশ্যমান স্থানে এই নির্দিষ্ট রঙের ও নকশার বোর্ড প্রদর্শন করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ খুব সহজেই বৈধ হাসপাতাল বা ক্লিনিকগুলি চিহ্নিত করতে পারেন।

স্বাস্থ্য কমিশনের কাছে দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন অননুমোদিত বা ভুয়ো ক্লিনিক এবং নার্সিংহোম পরিচালনা সংক্রান্ত নানা অভিযোগ আসছিল। সাধারণ মানুষ অনেক ক্ষেত্রেই আসল এবং বৈধ চিকিৎসাকেন্দ্র চিনতে গিয়ে বিভ্রান্তির মুখে পড়তেন। এই সমস্যা দূর করতেই কমিশনের পক্ষ থেকে এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি বৈধ বেসরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের নামের সাইনবোর্ড নির্দিষ্ট মাপের এবং কমলা ও সাদা রঙের সংমিশ্রণে তৈরি হতে হবে, যাতে তা দূর থেকেই সকলের নজরে আসে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: রাজ্যের সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এবং ভুয়ো নার্সিংহোম ও ক্লিনিকগুলির দৌরাত্ম্য রুখতে সমস্ত বেসরকারি হাসপাতালে নির্দিষ্ট কমলা ও সাদা রঙের আইডেন্টিফিকেশন বোর্ড টাঙানো বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য কমিশন।

  • রাজ্যের সমস্ত বৈধ বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে বিশেষ সাইনবোর্ড বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
  • বোর্ডের রঙ নির্দিষ্ট করা হয়েছে কমলা ও সাদা, যা দূর থেকে স্পষ্টভাবে দেখা যাবে।
  • অননুমোদিত ও বেআইনি চিকিৎসাকেন্দ্র চিহ্নিত করতে এই পদক্ষেপ বিশেষ সহায়ক হবে।
  • নির্দেশিকা অমান্যকারী স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

স্বচ্ছতা ও জনস্বার্থে কমিশনের নতুন পদক্ষেপ

স্বাস্থ্য কমিশনের এই নির্দেশিকা কার্যকর হওয়ার ফলে রাজ্যের চিকিৎসা ব্যবস্থায় আরও বেশি স্বচ্ছতা আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। সাধারণ রোগীরা যাতে কোনো প্রতারণার শিকার না হন এবং সঠিক অনুমোদিত স্থানে চিকিৎসা পরিষেবা পান, তা নিশ্চিত করতেই এই কঠোর নিয়ম কার্যকর করা হচ্ছে। সমস্ত বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই নির্দেশিকা মেনে তাদের প্রবেশদ্বারে নতুন আইডেন্টিফিকেশন বোর্ড লাগানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন মহল।