ফ্লোরেন্স ম্যানশনের অগ্নিকাণ্ডের পর নথি উদ্ধারে আইনজীবীকে অনুমতি কলকাতা হাইকোর্টের

ফ্লোরেন্স ম্যানশনের অগ্নিকাণ্ডের পর নথি উদ্ধারে আইনজীবীকে অনুমতি কলকাতা হাইকোর্টের

ফ্লোরেন্স ম্যানশনের অগ্নিকাণ্ডের পর পুড়ে যাওয়া বিল্ডিং থেকে নথি উদ্ধারে আইনজীবীকে অনুমতি কলকাতা হাইকোর্টের

কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ফ্লোরেন্স ম্যানশনে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর আদালতের হস্তক্ষেপে গুরুত্বপূর্ণ স্বস্তি মিলল। পুড়ে যাওয়া ওই ভবনে আটকে থাকা বা ক্ষতিগ্রস্ত আইনি নথি ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিরাপদে উদ্ধারের জন্য এক আইনজীবীকে বিশেষ অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ভবনটির বর্তমান বিপজ্জনক অবস্থার কথা মাথায় রেখে সমস্ত নিরাপত্তা বিধি মেনে এই উদ্ধারকাজের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।

গতকালের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের জেরে ফ্লোরেন্স ম্যানশনের অন্দরে থাকা একাধিক অফিস ও চেম্বার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর ফলে সেখানে কর্মরত বহু আইনজীবী এবং ব্যবসায়ীদের গুরুত্বপূর্ণ আইনি দলিল, ফাইল ও কাগজপত্র আটকে পড়েছিল। ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষগুলির তরফ থেকে জরুরি ভিত্তিতে নথি উদ্ধারের আর্জি জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হওয়া হলে, আদালত দ্রুত পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই ইতিবাচক নির্দেশিকা জারি করে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: উদ্ধারকাজের সময় ফায়ার ব্রিগেড, পুলিশ এবং পৌরনিগমের বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলীদের উপস্থিত থাকতে হবে। ভবনটি কাঠামোগতভাবে নিরাপদ কি না তা যাচাই করার পরই আইনজীবীকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।

  • ফ্লোরেন্স ম্যানশনের অগ্নিকাণ্ডের জেরে আটকে থাকা নথি উদ্ধারে আদালতের সবুজ সংকেত
  • নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে পুলিশ ও বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে উদ্ধারকাজ চালানোর নির্দেশ
  • আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলিকে নির্দিষ্ট প্রোটোকল মেনে চলার পরামর্শ
  • ভবনের বিপজ্জনক অংশগুলি এড়িয়ে শুধুমাত্র সুরক্ষিত জোন থেকে ফাইল বের করার অনুমতি

প্রশাসনের নজরদারি ও পরবর্তী পদক্ষেপ

কলকাতা হাইকোর্টের এই নির্দেশের পরই ফ্লোরেন্স ম্যানশন চত্বরে জেলা প্রশাসন ও পুলিশি তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের আসল কারণ অনুসন্ধানের জন্য ফরেন্সিক দল ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। আদালতের এই পদক্ষেপে ক্ষতিগ্রস্ত আইনজীবীরা কিছুটা স্বস্তি পেলেও, সম্পূর্ণ ভবনটি স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে বেশ কিছুটা সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, উদ্ধারকাজ চলাকালীন যাতে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে, তার জন্য সবরকম সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। পরবর্তী শুনানি পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াটি আদালতের তত্ত্বাবধানেই পরিচালিত হবে।