প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভর ভারতের আরও এক বড় সাফল্য, নৌবাহিনীতে যুক্ত হলো দেশীয় প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ

প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভর ভারতের আরও এক বড় সাফল্য, নৌবাহিনীতে যুক্ত হলো দেশীয় প্রযুক্তির ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ

ভারতীয় নৌবাহিনীর শক্তি বৃদ্ধি করতে আরও এক অত্যাধুনিক দেশীয় যুদ্ধজাহাজ যুক্ত হলো বহরে

প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ আত্মনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যের দিকে আরও এক ঐতিহাসিক পদক্ষেপ করল ভারত। দেশের শিপইয়ার্ডে দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত সম্পূর্ণ নতুন ও অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ বা গাইড্ড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হলো ভারতীয় নৌবাহিনীর (Indian Navy) বহরে। শত্রুপক্ষের যেকোনো আকাশ ও জলপথের আক্রমণ প্রতিহত করতে সক্ষম এই শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজটি দেশের সমুদ্র উপকূলের সুরক্ষা ব্যবস্থাকে বহুলাংশে সুদৃঢ় করবে বলে মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা।

উচ্চপর্যায়ের এক সামরিক অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিরক্ষা আধিকারিকদের উপস্থিতিতে এই যুদ্ধজাহাজটিকে নৌসেনার হাতে তুলে দেওয়া হয়। মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India) এবং আত্মনির্ভর ভারত উদ্যোগের অংশ হিসেবে সম্পূর্ণ দেশীয় নকশা ও উন্নত প্রযুক্তির সমন্বয়ে এটি তৈরি করা হয়েছে। জাহাজটিতে রয়েছে সর্বাধুনিক রাডার সিস্টেম, দূরপাল্লার সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল এবং সাবমেরিন বিধ্বংসী অস্ত্রশস্ত্র। এর ফলে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে দেশের সামরিক প্রভাব ও নিরাপত্তা বলয় আরও সুরক্ষিত হবে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: দেশের সমুদ্রসীমার সুরক্ষা এবং প্রতিরক্ষা শক্তি আরও শক্তিশালী করতে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় নৌবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

  • সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে ও দেশীয় শিপইয়ার্ডে এই অত্যাধুনিক মিসাইল ডেস্ট্রয়ারটি নির্মাণ করা হয়েছে।
  • শত্রুর রাডার ফাঁকি দিয়ে নিখুঁত নিশানায় আঘাত হানতে সক্ষম শক্তিশালী অস্ত্র সিস্টেমে এটি সজ্জিত।
  • ভারত মহাসাগরীয় ও সংলগ্ন সামুদ্রিক অঞ্চলে ভারতের কৌশলগত অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে এই যুদ্ধজাহাজ।
  • প্রতিরক্ষা উৎপাদনে দেশের আত্মনির্ভরতার পথে এটি একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মাইলফলক।

সামুদ্রিক সুরক্ষায় নতুন দিগন্ত

বর্তমান বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতিতে সামুদ্রিক নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা যেকোনো দেশের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারতীয় নৌবাহিনীতে এই ধরনের অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজ যুক্ত হওয়ার ফলে দেশের নৌ-ক্ষমতা বহু গুণে বৃদ্ধি পেল। ভবিষ্যতে জলপথে যেকোনো সম্ভাব্য আক্রমণ প্রতিহত করতে এবং আন্তর্জাতিক জলসীমায় শান্তি বজায় রাখতে এই শক্তিশালী রণতরী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।